গল্প।। অভিশপ্ত বাগান ।। সমীর কুমার দত্ত

 

অভিশপ্ত বাগান 

             — সমীর কুমার দত্ত 



মর্গ থেকে সতু্র লাশ যখন বাড়িতে নিয়ে আসা হলো পাড়ায় লোকে লোকারণ্য। সকলেই শোকে মুহ্যমান। দুর্ঘটনাজনিত কারণে ছেলের অকাল মৃত্যুতে মা বুক চাপড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লো। বাবা শোকস্তব্ধ হয়ে একদৃষ্টে সতুর মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে র‌ইলো। বিশ্বাস‌ই করতে পারছে না যে সতু বেঁচে নেই। সে যেন ঘুমুচ্ছে। লোকের ভিড়ে কেউ কেউ জিঞ্জাসা করে — 
' কোন গাছ থেকে পড়েছে? কি
করে পড়লো?  ইত্যাদি ইত্যাদি।'
কেউ কেউ আবার লাল্টুদের বাড়ির দিকে ইঙ্গিত করছে আর বলছে, " আহা রে! কি কপাল দেখ! পাড়ার কতো ছেলেই তো গাছে উঠছে। সারা দুপুর দৌরাত্ম্য করে বেড়াচ্ছে।আর সতুই কিনা-----হায় রে!"

লাল্টু ছাদের ওপরে উঠে সতুকে শেষ বারের জন্য দেখার চেষ্টা করে। লোক সমক্ষে আসতে পারে না।অপরাধবোধ তাকে সতুর মুখোমুখি হতে দেয় না। লাল্টুর পাড়ায় কোনো বন্ধু নেই। কতো ছেলেই তো বাগানে আসে। লাল্টু কারোর সঙ্গে কথা বলে না। পাড়ার কতো ছেলেই তো পাঁচিলের ভগ্নাংশ দিয়ে ঢোকে।ইঁট পাটকেল ছুঁড়ে ফল পেড়ে ব্যাগ ভর্তি করে নিয়ে যায়।
লাল্টুদের নজরে পড়লে কিংবা
"এই কে রে?" বলে চেঁচালে দৌড় মারে।পাড়ার চোর, বদমাশ ছেলেরা দিন নেই রাত নেই দৌরাত্ম্য করে বেড়ায় লাল্টুদের বাগানে।  সতুও আসতো তবে চুরির উদ্দেশ্যে নিয়ে নয়। সতু সত্যি খুব ভালো ছেলে।

এই বাগান লাল্টুদের বাস্তু সংলগ্ন। লাল্টুর ঠাকুরদা
নীলাঞ্জন সেন অল্প দামে কিনে রেখেছিলেন মিলিটারির চাকরির মেয়াদ ফুরলে এসে বাগান করবেন। এই পাঁচ কাঠা জায়গায় ভাঙা জরাজীর্ণ পোড়ো দু -তিন কামরা ঘর ছিল। নীলাঞ্জন বাবু ভেঙে ফেলে দিয়ে ইঁটগুলো গাছের গোড়ায় সাজিয়ে রেখেছিলেন। তারপর বহু বড়ো বড়ো গাছ হয়েছে।

নীলাঞ্জন বাবু ছিলেন মিলিটারি ডাক্তার। চাকরির মেয়াদ ফুরলে তিনি আর কোনো কাজে যোগ দেননি কিংবা প্রাইভেট প্র্যাকটিস‌ও করেন নি। সারাদিন বাগানের পেছনে পড়ে থাকতেন।
তারপর তিনি একদিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাগানেই দেহ
রাখলেন। বাগান করা তাঁর আর হলো না। সেইথেকে বাগান জঙ্গলে ভরে উঠলো। বাগানের চারদিক পাঁচিল দিয়ে ঘেরা ছিল। বজ্জাত ছেলেরা পাঁচিলের একটা অংশ ভেঙে ফেলে ঢোকা বের হ‌ওয়ার জন্য। বাগান দেখার মতো কেউই র‌ইলো না। লাল্টুর বাবা দেবাঞ্জন বাবু ব্যবসার কাজে অধিকাংশ দিন‌ই বাইরে যান। ফলে হাল যা হবার তাই হয়েছে।বর্ষার জল পেয়ে জঙ্গলে ভরে গেছে।

আর পাঁচটা ছেলের মতো সতুও আসতো। ছেলেটা খুবই ভালো।শত অভাবেও স্কুলে যেতো।আবার বাবাকে ঠাকুর গড়ার কাজে সাহায্য করতো। পূজো আচ্ছার সময় তার মা আর ও বাবাকে ঠাকুর গড়ার কাজে সাহায্য করতো। কখন‌ও মিথ্যে কথা বলতো না। ঠিক পাঁচটার সময় সতু এসে বাগানে ঢুকতো। ওই সময়ে কেউ আসতো না।কারণ লাল্টু তখন জানলায় থাকতো। সতু এলে লাল্টু সতুর সঙ্গে গল্প করতো। মায়ের ভয়ে সতুকে ঘরে আসতে বলতে পারে না।সতু লাল্টুকে ওদের হাতে তৈরি পুতুল দিতো। লাল্টু সে গুলো মায়ের ভয়ে লুকিয়ে রাখতো। আম, জাম, পেয়ারা গাছের তলায় পড়ে থাকতে দেখলে সতু বলতো, " ফল গুলো কুড়িয়ে দেবো?" তুলে জানলা দিয়ে দিতো।
—কি রে সতু তুই নিবি না?
—না। বাড়িতে নিয়ে গেলে মা বোকবে। বলবে না বলে লোকের বাড়ির জিনিস নিয়ে এসেছিস,
তারপর চোর বলে বদনাম দেবে, তখন ভালো লাগবে?
উওরে লাল্টু বলে, " তুই বলবি যে আমি দিয়েছি।"
তাই দু-চারটে ফল দিলে সন্তুষ্ট হয়ে বাড়ি নিয়ে যেতো। কিন্তু কখনও মিথ্যে কথা বলতো না।
এমনিতেই গরীব ছোটজাতের
ছেলেপুলেরা চট্ করে মিথ্যে কথা বলে না। তাদের একটা ভয় থাকে। বলে যারা উঠতি বড়লোক, ভদ্রতার মুখোশ পরে থাকে, তারাই প্রয়োজনে ইনিয়ে বিনিয়ে মিথ্যে কথা বলে। লাল্টু সে কথা ভালোই জানে। তাই সতু একদিন না এলে লাল্টু বলে, 
"কিরে সতু তুই কাল এলি না?
তোর জন্যে কতক্ষণ বসেছিলাম জানলায়।"
সতু হয়তো বলতো, "কালকে বাবাকে কাজে সাহায্য করছিলাম। অনেক গুলো মালের অর্ডার ছিলো তো। বাবা একা পেরে ওঠেনা। মালগুলো ডেলিভারী দিতে পারলে টাকা পাওয়া যাবে। মাষ্টারের দু মাসের মাহিনে বাকি পড়েছে, দিতে হবে তো তাই।"
আবার কখন‌‌ও বলতো,"বাবা প্রায়ই বলে,"আর স্কুল যেতে হবে না।কাজকর্ম ঠিক মতো না থাকলে পড়াবো কি করে। তারচেয়ে মাটির ভাঁড়, পুতুল, ঠাকুর গড়ার কাজটা ভালো করে শিখে নে। গরীবের আবার পড়া।" আমার মা বাবাকে বলে,
"এ কাজ শিখে তোমার মতো দশা হবে বৈ তো নয়। তার চেয়ে ভালো করে লেখাপড়া শিখতে পারলে দুটো টিউশন করেও খেতে পারবে। ভালোকরে লেখাপড়া শিখতে পারলে বিফলে যাবে না।"
সতু খুবই সরল ছেলে। ঘরের সব কথা প্রাণ খুলে বলে দেয়।এইজন্য ওকে খুব ভালো লাগে।
এক এক সময় সংসারের চরম অভাবের দিনে সতুর বাবা মেজাজ হারিয়ে বলে ফেলে,
"মরতে পারিস না, তাহলে তো হাড় জুড়োয়। আমি আর পারছি না। শরীরটাও মাঝে মাঝে
বিগড়চ্ছে। কি করবো জানি না।"
মা অনেক সময় বাবাকে সান্ত্বনা দিয়ে আশ্বস্ত করে এই বলে যে সময় এক যায় না। ভালো সময় নিশ্চয়ই আসবে।

লাল্টু সতুকে মনে মনে খুব ভালোবাসে। ওর মনে হয় সতু বড়ো দুখী। সতুর দুঃখ যেন ওর নিজের দুঃখ। সতুর কষ্ট ওর নিজের কষ্ট। কখনো লুকিয়ে ওর জমানো টাকা থেকে সতুকে দিয়ে বলে, "সতু, এটা রেখে দে।
কখনো লাগলে বাবাকে দিবি।"
সতু কিছুতেই নিতে চায় না। বলে, "বাবা -মা জিজ্ঞাসা করলে আমি কি বলবো?"
লাল্টু ভাবে, সতুরা গরীব হলেও কতো সৎ।আজ ওর মৃত্যুর জন্য ওই দায়ী। সে কথা কেউ না জানলেও সে নিজে জানে। আর জানতো সতু। বেঁচে থাকলে সে ওর নাম বলতো কিনা কে জানে। মনে হয় ও কখনও ওর নাম বলতো না। সতু ওকে খুব ভালোবাসে। ও কি চিৎকার করে বলতে পারছে যে সতুর মৃত্যুর জন্য ওই দায়ী।
ঐ বোধহয় সতুকে শ্মশানে নিয়ে যাচ্ছে। বলো হরি -----হরি বোল। লাল্টুর বুক ফেটে যাচ্ছে সতুর কাছে যেতে না পারার জন্য। তার নিজের দোষেই তাকে তার পাড়ার একমাত্র বন্ধুকে হারাতে হলো।

গাছে অনেক ফল ধরে ছিলো। লাল্টু সতুকে বলেছিলো, "তুই গাছে চড়তে জানিস?"
সতু বলেছিলো,"হ্যাঁ, চড়তে জানি।"

— তাহলে উঠে পড়।
—উঠবো?
—দেখিস্ সাবধানে। পড়ে যাসনি
    যেন ।
— না না।
তারপর কখন যে গাছের উপরে  চলে গিয়েছিল লাল্টু
জানলা দিয়ে দেখতে পায়নি।
খালি বলে ছিলো আর একটু উপরে হাত বাড়া।
এইভাবে উঠতে উঠতে কখন যে
মগডালে চলে গিয়েছিল সতু
তা খেয়াল করতে পারে নি।
পারে নি লাল্টুও। তারপর হঠাৎ নিচে স্তূপীকৃত ইঁটের ওপর পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেল।
লাল্টু দৌড়ে গিয়ে মাকে বললো, 
"মা, সতু পড়ে গেছে গাছ থেকে।"
মা দৌড়ে এসে জানলা দিয়ে দেখেন, সতু অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে গাছের গোড়ায় জমা করা ইঁটের ওপর। মাথাটা ভীষণ রকম ফুলে গেছে ।

লাল্টুর মা দৌড়ে গিয়ে পাড়ার লোকজনদের চিৎকার করে ডাকলেন। সতুকে একটা ট্রলি করে হাসপাতালে নিয়ে গেলো পাড়ার কয়েকজন যুবক সঙ্গে সতুর বাবা। ততোক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে গেছে। হাসপাতালে পৌঁছুবার আগেই তার মৃত্যু হয়। মাথায় আঘাত পাওয়ার জন্য ইন্টারনাল হেমারেজের ফলে তার মৃত্যু হয়।

লাল্টুর মা বারবার করে লাল্টুকে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন, "তুই ওকে গাছে উঠতে বলিসনি তো?" ন‌ইলে দায় ঘাড়ে এসে পড়বে। একে ঘরে কোন পুরুষ মানুষ নেই।
উত্তরে লাল্টু এই ঘটনায় হতভম্ব ও ভীত হয়ে বলে, "না না, আমি কেন বলবো? আমি তো জানি না
ও গাছে উঠেছে। শব্দ শুনে আমি জানলায় এলাম। এসে দেখি ও পড়ে আছে।"
এইভাবে ভয়ে ভীত হয়ে  অপরাধ
থেকে নিজেকে আড়াল করে সে ঘটনা থেকে বাঁচতে চেষ্টা করলো। মনে মনে সতুর উদ্দেশ্যে
বললো, " কেউ না জানুক, আমি আর তুই তো জানিস —তোর মৃত্যুর জন্য আমিই দায়ী। আমি যদি তোকে গাছে উঠতে না বলতাম, তুই গাছে উঠতিস না।
তাহলে এভাবে এই মৃত্যুকে তোকে বরণ করে নিতে হতো না।"

এরপর থেকে লাল্টু আর জানলার কাছে যেতো না।
ভয় তাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াতে লাগলো। তার খাওয়া-দাওয়া, ঘুম মাথায় উঠে গেলো। বিরলে কেঁদে কেঁদেই মৃত বন্ধুর প্রতি
সমবেদনা জানাতো। মনে মনে বলে, "আমরা যারা অন্তঃসারশূন্য উচ্চজাতির শিক্ষিত ভদ্রলোক বলে নিজেদের দাবি করি, প্রয়োজনে ভোল পাল্টে মিথ্যে বলতে পারি নিজেদের দায় এড়িয়ে যাবার জন্য। কিন্তু  তোর মতো গরীব,অশিক্ষিত, নিম্ন বর্ণ পরিবারের সন্তান হয়েও তুই কতো  সৎ,নির্লোভ।
কতো ভালো মনের মানুষ।
তোর মতো ভালো হতে আমি চেষ্টা করেও পারবো না। তুই
আমার ওপর রাগ করিস নে সতু। তোকে আমি ভুলতে পারবো না  কোনদিন। তুই যেখানেই থাকিস্ , ভালো থাকিস্।"

দাদুর মুখে শোনা —বাগানের এই অংশটা ছিলো এক বিধবা মহিলার। তাঁর ছেলে থাকতো বিদেশে। এক জাতি দাঙ্গায় মারা যায়। তা অনেক দিন আগে।তখন থেকে ওই বিধবা মহিলার দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের স্ত্রী, ওনাকে দেখাশোনা করতে আসতো। সকালে আসতো এবং রাত্রে চলে যেতো। মহিলা স্বামী ও ছেলের জন্য রান্না করে খেতে দিয়ে তবে আসতো আবার সন্ধ্যায় চলে যেতো। এখানে থাকার মতো তেমন ভালো ঘর ছিল না। আসলে থাকার মতো কেউ ছিলো না,তাই বাড়ি মেরামত করা হয়নি। আর এই মেরামতির অভাবে ও লোকজন
না থাকার জন্য বাড়িটা পোড়ো বাড়ি হয়ে গেছে। শেষের দিকে ওই বিধবা তাঁর সম্পত্তি ওই আত্মীয়কেই লিখে দিয়েছিলেন।
এটা পাড়ার সবাই জানতো।

একদিন ওই আত্মীয়ের স্ত্রী রোজকার মতো রাতের খাবার খাইয়ে,তারপর ঘুমের ওষুধ খাইয়ে চলে যায়। পরের দিন সকালে এসে কড়া নাড়ে।রোজ যেমন করে আর কি। বারবার নাড়া সত্বেও দরজা খুলছে না দেখে লাল্টুদের বাড়ি এসে জানায় —মাসিমা দরজা খুলছেন না। লাল্টুর ঠাকুরদা গিয়ে দেখেন সত্যিই তাই। তারপর দরজা ভাঙা হলো।
দরজা ভাঙায় বিপদও ছিলো।
যে কোন ভেঙে পড়ার ভয়‌ও ছিলো। বরাত ভালো যে ভেঙে পড়ে নি। দরজা খুলতেই দেখা গেলো বিধবা মহিলা মড়ার মতো পড়ে আছেন বিছানায়। লাল্টুর ঠাকুরদা ডাক্তার, নাড়ী ধরেই বুঝতে পারেন ঐ বিধবা মহিলা মারা গেছেন এবং অনেকক্ষণ আগে। কারণ বডি শক্ত হয়ে গেছে রাইগ্যর্ ম্যর্‌টিস
অর্থাৎ মরণ সঙ্কোচনের জন্য।
ঘুমের ওষুধের ফয়েলের একটি পাতা পাশেই পড়ে আছে। যাতে প্রমাণ হয় যে উনি অতগুলো ঘুমের ওষুধ খেয়ে মারা গেছেন। অর্থাৎ উনি আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ এসে বডি মর্গে পাঠিয়ে দিলো পোস্ট মর্টেমের জন্যে। পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে বলা হয় মৃত্যু
ওভার ডোজ ঘুমের ওষুধ খেয়েই
হয়েছে এবং রাতেই মৃত্যু হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো ঐ বিধবা মহিলা কি তাহলে আত্মহত্যা করছেন, না ঐ আত্মীয়া তাঁকে ওভার ডোজ ওষুধ খাইয়ে গিয়েছেন , যাতে তাঁকে আর আসতে না হয় এবং সম্পত্তিটি বিক্রি করে দিতে পারেন? যেহেতু কোনো সুইসাইড নোট ছিলো না, তাই একে ধরে নেওয়া যায় যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। আর ঐ আত্মীয়া তো
ছিলেন না। তার অবর্তমানে মৃত্যু
ঘটেছে। কিন্তু রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে মৃত্যু আগের দিন রাতেই ঘটেছে। তাই মরণ সঙ্কোচন শুরু হয়ে গিয়েছিল।
সে যাই হোক এটাকে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই ধরে নেয়া হয়েছে।

ক্রিয়াকর্ম মিটে যাওয়ার পর ঐ আত্মীয়া দাদুকে অপেক্ষাকৃত কম দামেই বাড়িটা বিক্রয় করে দেয়। লাল্টুর হঠাৎ মনে হলো তার দাদু মারা গেলেন কেন?  দাদুর মৃত্যুর জন্য কি কেউ দায়ী?  অতৃপ্ত আত্মার কথা সে শুনেছে তার ঠাকুমার মুখে।  তারা কেউ নয়তো?  আগে হয়তো ঐ ভাঙা বাড়িতে ঐ বিধবা মহিলা মরে গিয়ে ভূত হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেই কি দাদুকে মেরেছে?  আজ সতুর মৃত্যুর জন্যে কে দায়ী, দাদু না সেই অতৃপ্ত আত্মা?  দাদুর‌ও বাগান করার খুব শখ ছিল তা পূরণ হয়নি।  দাদুর অতৃপ্ত আত্মা না এ জায়গা যার ছিল সেই বিধবা মহিলার অশুভ আত্মা বাগানে ঘোরাফেরা করছে।  না, এ বাগানে আর ও কোনদিন‌ও যাবে না।  এ এক অভিশপ্ত বাগান!
---------------------------------------
Samir Kumar Dutta
Pune, Maharashtra 


Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Below Post Ad