খুশির ঠিকানা
সুমিতা চৌধুরী
অনেকদিন পর হিয়া আর নয়নের মনটা যেন খুশিতে ভরে গেল ওদের সেই ছোটবেলার প্রিয় চেনা জায়গাটায় এসে।
নয়ন- দিদি, কত্তোদিন পর এখানে এলাম বল।
হিয়া- হ্যাঁ, অনেকদিন পর। এদের দেখে লাগে খুব চেনা, যেন কতো আপন।
গাছগুলো কেমন আকাশে ডানা মেলেছে দেখ। যেন ইচ্ছেডানা। স্বাধীনভাবে বাড়বার। এখানে নেই কোনো যথেচ্ছ কুঠারাঘাত। প্রকৃতির নিজস্বতাকে বলি দিয়ে কংক্রিটের জঙ্গল বানানোর তাগিদ কারো। তাই আজও ওরা স্বাধীন, খুশিতে বাঁধনহারা।
নয়ন- হ্যাঁরে দিদি। আর ওদের মাঝে এলে আমাদেরও খুশিতে মনটা মেতে ওঠে নারে?
হিয়া- একদমই তাই ভাই। মা বলে না, প্রকৃতির মাঝেই আছে অনাবিল খুশি। তাকে মুঠোভরে নিতে জানতে হয়। একদিন মাকেও এখানে নিয়ে আসবো আমরা। মা খুব খুশি হবে। মা তো সারাদিন আমাদের খুশি রাখতেই সবসময় ব্যস্ত থাকে। আমাদেরও তো ভাবতে হবে মায়ের খুশির কথা।
নয়ন- ঠিক বলেছিস দিদি, মা বলে না, খুশি ভাগ করলে বাড়ে। আমরাও তাই করবো।
দুই ভাইবোন মনের আনন্দে মায়ের শেখানো গান গাইতে গাইতে ফিরতি পথ ধরলো,"আকাশ ভরা সূর্য তারা, বিশ্বভরা প্রাণ....."
====================
Sumita Choudhury
Liluah, Howrah
