প্রবন্ধ ।। বৌদ্ধসংঘ বৌদ্ধদেব ও বিবেকানন্দ ।। শৌনক ঠাকুর

 

ছবিঋণ- ইন্টারনেট 
 

 বৌদ্ধসংঘ বৌদ্ধদেব ও বিবেকানন্দ

  শৌনক ঠাকুর 



এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে বুদ্ধদেবের আদর্শ, জীবনচর্যা, ত্যাগ, তিতিক্ষা, বলিষ্ঠতা স্বামীজিকে মোহিত করেছিল। বুদ্ধের প্রতি ছিল প্রগাঢ় ভক্তি ও নিষ্ঠা। তাঁর বলিষ্ঠ ঘোষণা —- "আমি বুদ্ধের দাসানুদাসের দাস!" কিন্তু বৌদ্ধধর্ম? বৌদ্ধসংঘ? 
এ বিষয়ে স্বামীজি বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে বিরূপ মত পোষণ করেছেন। শুধু মত পোষণ করে ইতি টানেন নি, যুক্তি দিয়ে বুঝিয়েছেন এগুলো কেন যুগোপযোগী বা বাস্তবোচিত নয়। তবে নেতিবাচক দিকে যাওয়ার আগে আমরা বিবেকানন্দের হাত ধরে বুদ্ধদেবের কাছে যায়। বিবেকানন্দের চোখ দিয়ে তাঁকে আর একবার দেখি।

বুদ্ধদেব কথিত আত্মশুদ্ধির বিষয়টি স্বামীজিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন এই আত্মশুদ্ধির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে 'মুক্তির চাবিকাঠি'। তাই তিনি জীব সেবার মধ্য দিয়ে শিব সেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ধ্যানরত  বুদ্ধমূর্তি দেখে তাঁর মনে হয়েছে, মানুষকেই বড় করেছেন বুদ্ধ। মানুষকে ফিরিয়ে দিয়েছেন নিজের আত্মশুদ্ধির দিকে। 

স্বামীজীর চোখে বুদ্ধদেব হলেন দৃঢ়চিত্ত, প্রাজ্ঞব্যক্তি। তাঁর মধ্যে কোন লোভ ছিল না, বিভ্রান্তি ছিল না, ছিল না মোহ। এটিই বুদ্ধদেবের প্রকৃত স্বরূপ। তাই স্বামীজি আক্ষেপ করে বলেছিলেন, "আহা! তাঁর মহাশক্তির এককণাও যদি আমার থাকত!"

দৈবশক্তি অপেক্ষা স্বীয়শক্তিতে বিশ্বাস রাখাটা শ্রেয়। তবেই মনের অন্ধকার দূরীভূত হবে। ঘটবে সাফল্যের সূর্যোদয়। তাই চলার পথে বুদ্ধের মতো বিবেকানন্দও বিশ্বাস রেখেছিলেন আত্মনির্ভরতায়, আত্মশক্তিতে, এবং অধ্যাবসায়। এ প্রসঙ্গে তাঁর মতামত "মানুষ হীন নয়, দেবাধীন নয়, মানুষ তার উদ্যমে ও অধ্যাবসায়ে মহীয়ান।" ( অর্ঘ্য ,১৯৭৭ )

স্বামীজীর দৃষ্টিতে বুদ্ধদেব পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দার্শনিক। বুদ্ধদেবের সময় ব্রাহ্মণদের অত্যাচার, অনাচার, অনিয়ম ছিল সীমাহীন। এই ক্ষমতার দম্ভের কাছে তিনি মাথা নত করেন নি। সকল ঝড় ঝাপটা সহ্য করে মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

বুদ্ধের সাম্যবাদী চিন্তাচেতনা বিবেকানন্দের পছন্দ ছিল। মানবিক বুদ্ধের মত স্বামীজিও ঘোষণা করেছিলেন সকলের সমানাধিকার। ধনী দরিদ্র সকলেই মানুষ। নিরন্ন, চণ্ডাল, দরিদ্র সকল ভারতবাসীকে কাছে টেনে নিয়েছিলেন। 'ভাই' শব্দে সম্বোধন করেছিলেন। প্রান্তিক মানুষের মুখের ভাষা, রীতি-নীতি, আচরণ শিখে, তাদের সঙ্গে মেলামেশা করে তিনি তাদের একজন হতে চেয়েছিলেন। এটি যে বুদ্ধদেবের ভাবাদর্শের প্রতিফলন তা বলা বাহুল্য মাত্র। 

বুদ্ধদেবের সহজ, সরল, সাবলীল জীবনযাত্রা স্বামীকে বরাবরই আকর্ষণ করত। তিনি প্রকাশ্যে কোমল হলেও ভিতরে ছিলেন শক্তিমানের মতই মহাশক্তিতে বলীয়ান। শক্তিমান পুরুষ। স্বামীজীর শব্দে, "সর্বত্রই সেই এক প্রাজ্ঞ মনীষী,সেই সমর্থ শক্তিমান পুরুষ।"

বুদ্ধদেবের কর্মপন্থা, সাংগঠনিক শক্তি স্বামীজিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। বিনা অস্ত্রে, বিনা প্ররোচনায় শুধুমাত্র বাণীর দ্বারা তিনি মানুষের মন-মন্দিরে চির আসন লাভ করেছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল তরবারির সহায়তায় যে জয় হয় সেটা আসল জয় নয়। মানুষের মনকে জয় করতে পারাটাই, প্রকৃত জয়লাভ। বুদ্ধদেব এই কাজটি করতে পেরেছিলেন। আসলে বুদ্ধদেবের আস্থা ছিল 'ভালবাসা ঘৃণাকে জয় করতে পারে'। কারণ 
'ময়লা দিয়া ময়লা ধোয়া যায় না।' এই মতাদর্শ স্বামীজী তাঁর বহুভাষণে উল্লেখ করেছেন।

স্বাধীনতাবোধ ও নিরভিমানতা ছিল বুদ্ধদেবের সম্পদ। বারনারী অশ্বপালীর (মতান্তরে আম্রপালি) নিমন্ত্রণে তিনি নির্দ্ধিধায় গিয়েছিলেন। মৃত্যু ঘটতে পারে জেনেও তিনি এক অন্ত্যজের গৃহে ভিক্ষাগ্রহণ করেছিলেন। স্বামীজি লিখছেন চুন্দ নামক এক ব্যক্তি প্রচুর শূকরের মাংস এবং অন্নব্যঞ্জন প্রস্তুত করে বুদ্ধদেব ও তার শিষ্যগণকে পরিবেশন করেছিলেন। বুদ্ধদেব তার শিষ্যদের সেই খাদ্য ভক্ষণ করতে বারণ করলেন। কিন্তু নিজে যথাসাধ্য আহার গ্রহণ করলেন। তিনি প্রমাণ করলেন তাঁর সঙ্গে অতি সাধারণ মানুষের কোন তফাৎ নেই। বুদ্ধদেবের বক্তব্য ছিল– "চুন্দর কাছে গিয়ে তাকে জানিয়ে এসো, তার মত উপকারী বন্ধু আমার আর কেউ নেই। কারণ তার দেওয়া খাদ্য গ্রহণ করেই আমি নির্বাণ লাভ করতে চলেছি।" এই ঘটনা প্রমাণ করে জাতিভেদ বা ধর্মভেদ বা ধনী দরিদ্রদের ভেদাভেদের উপর নির্বাণ বা মোক্ষ লাভ নির্ভর করে না। তা একান্তই একাগ্রতা, অধ্যাবসা, ও নিষ্ঠার ফল।

আসলে সংসারের ষড়রিপুকে ত্যাগ করাটাই কঠিন। লতা পাতার মত এগুলি মনকে আষ্টেপৃষ্ঠে রাখে। বুদ্ধের উপদেশ, "রূপ, বেদনা, সংজ্ঞা, সংস্কার ও বিজ্ঞান— এই হল পঞ্চস্কন্ধ বা পঞ্চতত্ত্ব যা ক্রমাগত পরিবর্তনশীল, এবং পরস্পরের সঙ্গে সংমিশ্রিত। এরই নাম মায়া।" কোন একটি বিশেষ অবস্থা সম্পর্কে কিছুই বলা যায় না। কারণ একসময় যা ছিল, এখন আর তা নেই। গত হয়েছে। বা পরিবর্তন হয়েছে। বুদ্ধের কথা উদ্ধৃত করে ধরে স্বামীজি বললেন, "কিন্তু হে মানব, জেনো যে, তুমি সাগরস্বরূপ!" 

 বুদ্ধদেবের চিন্তা-চেতনা ও মতবাদে 
অদ্বৈত বেদান্তের ছাপ লক্ষ্য করা যায়। জনৈক বৌদ্ধ-লেখক অমর সিংহ তাঁর গ্রন্থে এ কথা স্বীকার করেছেন। আসলে ঈশ্বর সকলেই মধ্যেই বিরাজিত। "সর্বং খলু ইদং ব্রহ্ম" অর্থাৎ সর্বত্রই ব্রহ্ম আছেন। তাই সবাইকে নিজের মত দেখা উচিত। 

বুদ্ধদেবের সর্বধর্ম সমন্বয়ের আদর্শ স্বামী বিবেকানন্দ আজীবন মেনে চলেছিলেন। যার সার্থক প্রয়োগ বেলুড়ে রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠার সময় আমরা দেখতে পাই। বিবেকানন্দের চোখে বুদ্ধদেব মহামানব। মানব কল্যাণের জন্যই যার জন্ম। পদে পদে বিপদগ্রস্ত, বিভ্রান্ত মানুষকে তিনি সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন। অসাধারণ মানুষ হয়েও থেকেছেন অতিসাধারণ হয়ে। এবার আসি বৌদ্ধসংঘ ও বৌদ্ধধর্মের সম্পর্কে স্বামীজীর মূল্যায়ণে।

আমরা জানি মানুষ-পূজা বৌদ্ধধর্মে একেবারেই ব্রাত্য। তারা এর কট্টর বিরোধী। কিন্তু বুদ্ধদেবের মৃত্যুর পর দেখা গেল বৌদ্ধস্তূপ, বৌদ্ধবিহার নির্মিত হল। বুদ্ধদেবের মূর্তিতে চলল পূজা, অর্চনা, দীপ, ধূপ, ধূনা। অথচ এক শিষ্যের প্রশ্নের উত্তরে বুদ্ধদেব স্বয়ং বলে গেছেন – "আমাকে নিয়ে তোমাদের কিছুই করণীয় নেই।"

 বুদ্ধদেব বলতেন তাঁর সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোন তফাৎ নেই। কিন্তু তাঁর জীবিত অবস্থাতেই তাঁর শিষ্যরা এটি মানতে চাননি। বুদ্ধদেব যখন খুব অসুস্থ আর কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর নির্মাণ লাভ হবে, তখন একজন তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করলেন কিন্তু অনুমতি দিতেন না তাঁর ভক্তপ্রাণ শিষ্যরা। অথচ বুদ্ধদেব সারা জীবন প্রচার করে গেছেন তিনি আর পাঁচটা সাধারণ লোকের মত তিনি সাধারণ। কিন্তু বৌদ্ধসংঘ তাঁকে সাধারণ থেকে অসাধারণ স্তরে উন্নীত করেছেন। তিনি হয়ে গেলেন বুদ্ধদেবতা। 

বৌদ্ধদের অহিংসার বিষয়টি স্বামীজির কাছে বড়ই গোলমেলে ছিল। তিনি বলেছেন তত্ত্ব হিসেবে অহিংসা উত্তম। কিন্তু প্রয়োগগত দিকে থেকে তা একেবারেই অবাস্তব। বাড়িতে যদি চোর ডাকাত পড়ে সেক্ষেত্রে গৃহকর্তার কি কর্তব্য? চোরকে স্বাগত জানানো? না প্রতিহত করা? একবার স্বামীজি সিংহল গিয়েছিলেন। সেখানে হিন্দুধর্মের আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছিল। তখন অখণ্ড ভারত। সিংহলে ছিল বৌদ্ধধর্মের আধিপত্য। তৈরি হয়েছিল বড় বড় বৌদ্ধবিহার, মঠ। স্বামীজীর ভাষণ শুরু হতেই বৌদ্ধধর্মের অনুগামীরা হই-হট্টগোল শুরু করে দিলেন। স্বামীর বাধ্য হন ভাষণ থামিয়ে দিতে। তবে তিনি অনুগামীদের উদ্দেশ্য বলেন 'অহিংস' 'অহিংস' 'অহিংস'। অর্থাৎ অহিংসার কথা বললেও বাস্তবে তার প্রয়োগ খুব কমই ছিল।

বৌদ্ধ ধর্মের মূল কথা 'এক জ্ঞানই সত্য'। বহু জ্ঞান মিথ্যা বা অজ্ঞান। এই তথ্যটি স্বামীজীর কাছে তেমন গ্রহণযোগ্য হয়নি। তিনি স্পষ্ট বলেছেন বৌদ্ধধর্মের ক্রম অবনতির অনিবার্য কারণ এই মতবাদ।

সূত্রাকারে আবদ্ধ বা কতগুলি নিয়মের রেলপথে কখনই জীবন অতিবাহিত হতে পারে না। জীবন নদীর মত বহমান। পদে পদে বাঁক। মূর্হুমূর্হু পরিবর্তন। আসলে জীবনকে যাপন করতে হয়। কোন জিনিস যদি জোর করে আরোপ করা হয় তাহলে তা একদিন বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বৌদ্ধধর্মের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। স্বামীজি বিশ্বাস করতেন‌ কোন মানুষের তার অগাধ জ্ঞান, অসীম পাণ্ডিত্য রয়েছে কিন্তু তিনি যদি তা প্রয়োগ না করেন তাহলে সে জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য থেকে লাভ কি? হিন্দুধর্মের সুবিধা হল এই ধর্ম আরোপে নয়, যাপনে বিশ্বাস করে। এখানে সততা, আদর্শ, ন্যায়-নীতি, দান, ত্যাগ তিতিক্ষা সব চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োগমূলক ব্যাপারটি এখানে তেমন নেই। অথচ স্বামীজি মত 'নিষ্ঠাই সিদ্ধির ধ্রুব সহায়ক।' 

মানুষের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পরমাত্মা এবং জীবাত্মার মিলন। অর্থাৎ 'ঈশ্বর আর পরম পিতা এক ও অভিন্ন' — এটাই শ্রেষ্ঠ উপলব্ধি। স্বামীজি বক্তব্য কেউ যদি মূর্তি পূজার মাধ্যমে এটি উপলব্ধি করতে পারে তাহলে অবশ্যই সে মূর্তি পূজা করবে। যদি কেউ নিরাকার উপাসনায় সিদ্ধিলাভ করে তাহলে সে তাই করবে। কারণ ঈশ্বর সর্বভূ। 'সর্বং স্থিত'। তিনি অণু অপেক্ষা অণীয়ান, মহৎ অপেক্ষা মহীয়ান। অর্থাৎ স্বামীজি এখানে মোক্ষলাভের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিলেন। মাধ্যমটিকে নয়।

আসলে জ্ঞান মনকে প্রস্তুত করে। পথ দুটি — প্রেয় বা প্রবৃত্তি, শ্রেয় বা নিবৃত্ত। যে যেটিকে গ্রহণ করে। বাহ্যিক সৌন্দর্য ত্যাগ করে অন্তঃকরণে-স্থিত 'রত্নধন'-এর সন্ধান যে পায় সেই জীবনের প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে পারে। 
 
নির্বাণ লাভ বা মোক্ষলাভ সম্পূর্ণভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম ও মনঃসংযোগের ফল। এর সাথে জাত, ধর্ম, বর্ণের কোন সম্পর্ক নেই। বিবেকানন্দ বলেছেন বুদ্ধদেব সারা জীবন এগুলি প্রচার করে গেছেন। কিন্তু পরবর্তীকালে শিষ্যরা এই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেন নি।

তবে স্বামীজি এগুলির পাশাপাশি বৌদ্ধধর্মের কয়েকটি বিশেষ গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। 
বৌদ্ধধর্ম পৃথিবীর প্রথম প্রচারিত ধর্ম। আর এই একমাত্র ধর্ম যে অন্য কোন ধর্মের প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে কেবল নিজের পথে, নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে গেছে। আসলে বৌদ্ধধর্মের প্রতি আকর্ষণের অন্যতম প্রধান কারণ হল ব্রাহ্মণ্যবাদ, তাদের অত্যাচার, জাতিভেদ প্রথা, ধনী-দরিদ্রদের মধ্যে ব্যবধান, অন্ত্যজশ্রেণির প্রতি অবহেলা, ইত্যাদি। স্বামীজী নিজেও এ কথা স্বীকার করেছেন "বৌদ্ধ ধর্ম একটি নূতন ধর্মরূপে স্থাপিত হয় নাই ; বরং উহার উৎপত্তি হইয়াছিল সেই সময়কার ধর্মের অবনতির সংশোধনরূপে।" 

আসলে স্বামীজির চোখে বুদ্ধদেব কোন একক ব্যক্তি নন। তিনি একটা অবস্থা। একটা সত্ত্বা। কৃচ্ছসাধনের মধ্য দিয়ে বুদ্ধত্ব বা নির্বাণ বা মোক্ষ লাভ করতে হয়‌। এটাই জীবনের আসল উদ্দেশ্য। স্বামীজির বক্তব্য দিয়েই শেষ করা যাক — "বুদ্ধত্ব এক উচ্চ অবস্থা প্রাপ্তি, কোন ব্যক্তি বিশেষ নয়। সত্যই জগতে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণ প্রকৃতস্থ ছিলেন — জগতে যত লোক জন্মগ্রহণ করেছে, তাদের মধ্যে তিনিই একমাত্র স্থিরপ্রজ্ঞা ব্যক্তি।"

         _____________


১.স্বামী বিবেকানন্দের জীবনাদর্শে বুদ্ধ ভাবাদর্শের প্রকাশ : ড. মিলটন কুমার দেব
২.Swami Vivekananda And The Buddha :  Sister Nivedita
৩. স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা : উদ্বোধন কার্যালয় কলকাতা
৪.  যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরে দেওয়া 'বুদ্ধের ধর্ম' শীর্ষক বিবেকানন্দের ভাষণ
৫. Wikipedia 
______


শৌনক ঠাকুর 
গ্রাম পোঃ দক্ষিণখন্ড 
থানা সালার 
জেলা মুর্শিদাবাদ 

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.