বিপ্লবী আত্মার প্রতিশোধ
মিঠুন মুখার্জী
আজ থেকে একশ বছর আগের কথা। আজকের কলকাতা ও তখনকার কলকাতার মধ্যে বিরাট ব্যবধান ছিল। আজকের মত এত জনবহুল শহর ছিল না কলকাতা। বাড়িঘর বনজঙ্গল সবই ছিল কলকাতায়। দেশটা ছিল পরাধীন। ইংরেজদের শাসনে দেশের মানুষ একেবারে ভীত হয়ে থাকত। গোবিন্দপুরের এক মুখার্জী পরিবারের দুই ছেলে ভগৎ মুখার্জী ও জগৎ মুখার্জী গৃহ ত্যাগ করে কোথায় অদৃশ্য হয়ে যান তা কেউ বলতে পারে না। পরিবারের সদস্যরা তাদের অনেক খোঁজ করেও পান না। তাদের বাবা-মা তাদের হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পুলিশকে জানিও কোন কাজ হয়নি। কেউ কেউ বলেছিল--- " ইংরেজরা তাদের মেরে কোথাও পুঁতে দিয়েছেন।" আবার কেউ বলেছিল--- "দেখোগে বিপ্লবীদের দলে যোগ দিয়েছেন। দেশের প্রতি ছোটবেলা থেকেই ওদের খুব ভালোবাসা ছিল। ওরা প্রায় বলতেন বড় হয়ে বিপ্লবী হয়ে দেশমাকে পরাধীনতার হাত থেকে রক্ষা করবেন।" তবে প্রকৃত খোঁজ না পাওয়ায় গ্রামের প্রত্যেকের মনে তাদের অবস্থান নিয়ে সংশয় থেকে যায়।
এক মাস পর গোবিন্দপুরের মানুষ জানতে পারে জগৎ মুখার্জী ও ভগৎ মুখার্জী ইংরেজদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে ও একজন ইংরেজ কনস্টেবলকে হত্যা করার অপরাধে আলিপুর জেলে বন্দী আছেন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারা দুজন বিপ্লবী দলে যোগদান করেছিলেন। ইংরেজদের একটি সভায় ঢুকে ইংরেজদের বিরুদ্ধে কথা বলেন পাঁচজন বিপ্লবী এবং তাদের উদ্দেশ্য করে বোমা ছোড়েন। সেই বোমার আঘাতে একজন কনস্টেবল মারা যান। সেই দলে ছিলেন তারা দুজন। পালাতে গিয়ে মোট তিনজন ধরা পড়েন ও দুজন পুলিশের গুলিতে মারা যান। সেই তিনজনের মধ্যে ছিলেন গোবিন্দপুরের মুখার্জী পরিবারের এই দুই ভাই। ইংরেজের বিচার ছিল তখন প্রহসন। নিজেদের শত অপরাধকে তারা লঘু করে দেখতেন এবং এদেশীয় মানুষদের লঘু অপরাধে গুরু দণ্ড ভোগ করতে হতো। সেই সময় আলিপুর জেলে উইলিয়াম জেমস ও জন স্টুয়ার্ট নামের দুই ইংরেজ জেলার ছিলেন। তারা এদেশীয়দের উপর খুবই অত্যাচার করতেন। ধরা পড়া তিন বিপ্লবীর ফাঁসির আদেশ দেন ইংরেজ বিচারপতি। জগৎ ও ভগতের বাবা-মা উচ্চ আদালতে আপিল করেও কোন লাভ হয়নি। চোখের জলে দুই ছেলেকে তারা শেষ দেখা দেখেছিলেন।
ফাঁসি হওয়ার আগে গোপনে তিন বিপ্লবীর উপরে অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছিলেন উইলিয়াম জেমস ও জন স্টুয়ার্ট। জগৎ ও ভগৎ মুখার্জী তাদের বলেছিলেন--- " আমাদের মৃত্যুর পর তোদের রাতের ঘুম আমরা কেড়ে নেব। নির্দোষ ভারতীয়দের উপর তোরা যে পাশবিক অত্যাচার চালাস তার প্রতিশোধ আমরা নেবই।" তাদের এরকম কথা শুনে প্রচন্ড রেগে যান দুই ইংরেজ জেলার এবং তাদের উপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেন। তাদের চিৎকারে আলিপুর জেল গমগম করেছিল। জেলের অন্যান্য আসামিরা তাদের উপর হওয়া ভয়ংকর অত্যাচার দেখে চোখের জল ফেলেছিল। এমন মার তাদের তিনজনকে মারা হয়েছিল যে, ফাঁসির দিন পুলিশের কাঁধে ভর দিয়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে তাদের ফাঁসির মঞ্চে তোলা হয়েছিল। ফাঁসি দেওয়ার আগে তিনজন বিপ্লবী কোলাকুলি করে বলেছিলেন--- " ভারত মাতা কি জয়। ইংরেজ নিপাত যাক।" ভোর চারটে দশ মিনিটে তাদের ফাঁসি হয়েছিল।
দেখতে দেখতে দুই মাস অতিক্রান্ত হয়ে যায়। ইংরেজদের হাতে আরো অনেক বিপ্লবীর প্রাণ যায়। উইলিয়াম জেমস ও জন স্টুয়ার্ট আরো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। মাঝে মাঝে জেলের বিভিন্ন জায়গায় তিনটি ছায়া মূর্তি লক্ষ করেন জেলের কয়েদিরা। নিজেদের মধ্যে তারা বলাবলি করে---" ভগৎ, জগৎ ও বিনয়রা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এই জেলেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কবে যে শুনতে পাবো অসভ্য বর্বর শুয়োরের বাচ্চা দুটোকে ওরা যোগ্য শাস্তি দিয়েছে। সেদিন আমাদেরও খুব ভালো লাগবে। ওদের উপর হওয়া নৃশংস অত্যাচারের কথা আজও ভোলা যায় না।" জেলের ডিউটি শেষ করে উইলিয়াম জেমস একদিন তার কোয়াটারে ফিরে আসেন। তিনি পোশাক খুলে বন্দুকটা টেবিলের ড্রয়ারে রেখে বিছানায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। মনের মধ্যে তার শয়তানি বুদ্ধি গিজগিজ করছিল। এমন সময় তিনি দেখেন তার ঘরের দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল। সে ভেবেছিল, হয়তো হাওয়ার কারণে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেছে। তারপর ঘরের লাইটটা কিছুক্ষণ ধরে জ্বলতে নিভতে থাকে। তবুও সে বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেননি। হঠাৎ তার মাথার উপরের পাখাটি প্রচন্ড স্পিডে ঘুরতে থাকে। এবার তার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। একটু একটু ভয়ের উদয় হয় তার মনে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে টেবিলের ড্রয়ার থেকে বন্দুকটা বের করে হাতে নিয়ে বলেন --- 'কে ঘরের মধ্যে, সামনে আয়?' হঠাৎ তার হাতের বন্দুক মেঝেতে পড়ে যায়। উইলিয়াম জেমস ফেলে দেন নি, কে যেন লাথি মেরে তার হাত থেকে সেটি ফেলে দিয়েছে এমন তার অনুভূতি হয়। এবার তিনি দেখেন ' জগৎ , ভগৎ ও বিনয় তিনজন গলায় দড়ি দিয়ে তার ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন। তাদের প্রত্যেকের চোখ দুটো বড় বড়, জিভটা বাইরে বেরোনো। তার দিকে তাকিয়ে তারা হাসছেন।" এরপর জগৎ মুখার্জী বলেন--- " আমাদের চিনতে পারছিস শুয়োরের বাচ্চা? সাধারণ মানুষকে পশুর মত মারতে তোদের খুব ভালো লাগে না? জুতোর পাড়া দিয়ে যন্ত্রণা দিতে খুব মজা লাগে? তোকে বলেছিলাম না, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আমরা ফিরে আসবো। এবার তুই বাঁচবি কিভাবে? চোরের সাত দিন গৃহস্থের একদিন।" ভগৎ মুখার্জী বলেন---" তোকে আজ আমরা এমন শিক্ষা দিয়ে মারবো, যাতে কোন ইংরেজ ভারতবাসীদের উপর অত্যাচার করার আগে দশবার ভাবে।" ভয়েতে গলা শুকিয়ে যায় জেমসের। নিজের মধ্যে মৃত্যু ভয় জেগে ওঠে। এরপর বন্দুক তুলে নিয়ে তাদের তিনজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলি তাদের ভেদ করে চলে যায়। সে ভুলে গিয়েছিল আত্মার কখনো গুলি লাগে না। তারা তিনজন ভৌতিক হাসি হাসেন। এরপর জেমস দেখেন, ঘরের তিন দেয়ালে তিনজন হেঁটে বেড়াচ্ছেন আর একে অপরকে বলছেন---" আজ প্রতিশোধ নেওয়ার সঠিক মুহূর্ত। শুয়োরের বাচ্চাদের আজ মারতেই হবে। এটাকে এখানে খতম করে অন্য টাকে ধরতে যাব।" তারপর তিনজনের পুনরায় বিকট হাসিতে উইলিয়াম জেমসের প্যান্ট ভিজে যায়। তিনজন তিনদিক থেকে দড়ির ফাঁস উইলিয়াম জেমসের গলায় আটকে দেন এবং তিনজন তিনদিক থেকে টান মারেন। তাদের টানে উইলিয়াম জেমস মাটি থেকে দুহাত উপরে উঠে যান এবং ছটফট করতে করতে মারা যান। যে হাত ও পা দিয়ে অসংখ্য ভারতবাসীর ওপর জেমস্ অত্যাচার করেছিল সেই হাত ও পা চারটে তারা কেটে বাড়ির বাইরে ঝুলিয়ে রাখেন। মাথাটা কেটে ধরের পাশে রেখে দেন।
এদিকে জন স্টুয়ার্ট ওই সময় উইলিয়াম জেমসকে ফোন করেন। ফোন ধরেন জগৎ মুখার্জীর আত্মা। স্টুয়ার্ট বলেন--- " জেমস, আজ আমার খুব আনন্দের দিন। এইমাত্র খবর পেলাম আমার প্রমোশন হয়েছে। আমি খুব খুশি। এই কারণে আজ আমার বাড়িতে মদের পার্টি দিচ্ছি। তুই তাড়াতাড়ি চলে আয়।" এরপর জগৎ মুখার্জী উইলিয়াম জেমসের গলা নকল করে বলেন--- " স্টুয়ার্ট, আমি একটা কাজে এখন ব্যস্ত আছি। আমি যেতে পারব না। তুই চাইলে আমার বাড়ি আসতে পারিস। আমি আর তুই মিলে জমিয়ে মদ খাওয়া যাবে।" এরপর একটু ভেবে জন স্টুয়ার্ট বলেন---" ঠিক আছে, ঘন্টাখানেকের মধ্যে আমি দু-বোতল হুইস্কি নিয়ে তোর কোয়াটারে যাচ্ছি। ঘুমিয়ে পড়িস না যেন। আজ আমি দেখবো তুই কত মদ খেতে পারিস।" এরপর এক ঘন্টা পর সত্যি সত্যি জন স্টুয়ার্ট উইলিয়াম জেমসের বাড়ি আসেন। অনেকবার জেমসের নাম ধরে ডাকেন। শুধু একটা কথাই তিনি শুনতে পান--- " আমি দোতলার বসার ঘরে আছি। নিচের দরজা খোলা আছে। তুই সিঁড়ি দিয়ে সোজা বসার ঘরে চলে আয়।" কথাটা ছিল বিপ্লবী জগৎ মুখার্জীর আত্মার। জন স্টুয়ার্ট সোজা সিঁড়ি দিয়ে দোতলার বসার ঘরে উঠে আসেন কিন্তু কাউকে দেখতে পান না। একটা কালো বিড়াল হঠাৎ তার সামনে দিয়ে চলে যায়। সে কিছুটা ভয় পেয়ে যায়। তারপর নিজেকে সংবরণ করে নিয়ে উইলিয়াম জেমসের নাম ধরে পুনরায় ডাকতে থাকেন। জেমসের গলায় পুনরায় শোনা যায়---" আমি দরকারে ছাঁদে আছি, তুই সিঁড়ি ধরে ছাঁদে আয়।" ছাঁদে ওঠার সময় জন স্টুয়ার্ট-এর মনে সংশয় হয়। তিনি না উঠে বলেন---" আমি বসার ঘরে বসলাম, তুই ছাঁদের কাজ মিটিয়ে তাড়াতাড়ি আয়।" মদের বোতল দুটি টেবিলে রেখে স্টুয়ার্ট জেমসের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। কিছুটা দেরি হচ্ছে বলে মদের বোতল খুলে নিজেই একটি বোতলের অর্ধেক খেয়ে নেন। হঠাৎ দেখেন, ঘরের মধ্যে রক্তের দাগ। সে উঠে সেই রক্তের দাগ লক্ষ করে কিছুটা এগিয়ে যেতেই দেখেন, ঘরের এক কোনায় মৃত হাত - পা ও মাথা কাটা উইলিয়াম জেমস পড়ে রয়েছে। মাথাটা ধরের পাশেই ছিল। স্টুয়ার্ট খুবই ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠেন এবং দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য দৌড় দেন। এরপর ঘরের দরজাগুলো হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি চেষ্টা করেও খুলতে পারেন না। ভয়ে সারা শরীর তার ঘেমে যায়। হঠাৎ দেখেন সোফার উপর তিনজন বসে আছেন। তিনি দরজার কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করেন --- " কে তোরা? কি চাস? আমাকে ভয় দেখাস তোদের এত সাহস।" এই কথা শুনে তিনজনই তাদের মাথা ঘোরান জন স্টুয়ার্টের দিকে। তিনজনকে দেখে স্টুয়ার্ট চিনতে পারেন। বুঝতে পারেন তাদের আত্মা তাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিচ্ছে। এরপর কোমর থেকে বন্দুক বার করে তাদের তিনজনকে উদ্দেশ্য করে গুলি চালান তিনি। গুলি তাদের তিনজনকে ভেদ করে বেরিয়ে যায়। সে বুঝতে পারে এরাই উইলিয়াম জেমসকে এইভাবে হত্যা করেছে। এখন তার পালা। স্টুয়ার্ট দরজায় জোরে জোরে লাথি মারতে থাকেন, কিন্তু দরজা খোলে না। দু- দিক থেকে দুটো হাত এসে তার পা দুটো টেনে ধরে মেঝেতে ফেলে দেয়। তারপর ভগৎ মুখার্জী বলেন--- " এই শুয়োরের বাচ্চা, এখন মৃত্যুকে সামনে দেখে খুব ভয় পেয়েছিস না? ইঁদুরের মতো দৌড়ে প্রাণে বাঁচার চেষ্টা করছিস। ভাবছিস, যে করেই হোক বেঁচে যাব। সেগুরে বালি। তোকে আমরা আজ এমনভাবে মারবো যে, তোদের অন্য ইংরেজ শুয়োরের বাচ্চারা দেখলে ভয় পেয়ে যাবে। এদেশ ছেড়ে পালানোর জন্য চেষ্টা করবে। ভারতীয়দের উপর অত্যাচার করলে তার ফল কি হতে পারে তা বুঝে যাবে। তোরা মানব জাতির লজ্জা। পরের দেশে এসে এরকম ভয়ংকর শাসন করতে তোদের লজ্জা করেনা?" এরপর দুই পায়ে দুটো দড়ির ফাঁস পরিয়ে দুজন দু-দিক থেকে টান দেন। ফলে পেলভিস বোন ভেঙে গোপনাঙ্গ চিরে যায়। এরপর ধর থেকে মাথা আলাদা করে দেন তারা। শেষে হাত - পা চারটে কেটে উইলিয়াম জেমসের হাত - পায়ের কাছে ঝুলিয়ে রেখে যান। যাওয়ার সময় জন স্টুয়ার্টের ও উইলিয়াম জেমসের মাথা দুটো তারা নিয়ে যান।
আলিপুর জেলে কয়দিরা যখন রাতের খাবার খাচ্ছিল, তখন ভারী কিছু পড়ার শব্দ পেয়ে সবাই গরাদের দরজার দিকে ছুটে যায়। ইংরেজ কনস্টেবলরা ভাবে বোমা পড়েছে। লাইট জ্বালিয়ে খোঁজার জন্য তারা এদিক ওদিক যায়। অনেক খোঁজার পর দেখে বোমা নয় উইলিয়াম জেমস ও জন স্টুয়ার্টের কাটা মাথা। তারা ভয় পেয়ে ফেলে দেয়। জেলে হাল্লা পড়ে যায়। জেলের সমস্ত লাইট তৎক্ষণাৎ জ্বেলে দেওয়া হয়। কয়েদিরা ও সমস্ত পুলিশরা কাঁটা মাথা দুটো দেখতে পায়। কয়েদিরা আনন্দে লাফিয়ে ওঠে। একজন বলে---"পেরেছে, ভারতের বীর বিপ্লবীদের আত্মা পেড়েছে শুয়োরের বাচ্চা দুটোকে উচিত শাস্তি দিতে। আমাদের উপর নিষ্ঠুর অত্যাচার করতে এবার ইংরেজ পুলিশ একটু হলেও ভয় পাবে। ভালো হয়েছে, খুব ভালো হয়েছে।" ইংরেজ পুলিশরা তাদের দুজন জেলারের কাটা মাথা দেখে খুব ভয় পেয়ে যান। অনেক অফিসাররা ভারতবর্ষ ছেড়ে যাওয়ার জন্য উপরওয়ালার কাছে আবেদন পত্র জমা দেন। এই ঘটনার পরও আলিপুর জেলের আশেপাশে জগৎ, ভগৎ ও বিনয়ের আত্মাকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। তারা বোঝাতে চেয়েছেন "এই বাংলার বিপ্লবীদের উপর ও সাধারণ মানুষের উপর আর অত্যাচার হলে সেই সকল ইংরেজদের ভবলীলা সাঙ্গ করতে তারা এখানে থাকবেন। যতদিন না তাদের আত্মার সদগতি হচ্ছে, ততদিন তারা কোথাও যাবেন না। "
===========================
মিঠুন মুখার্জী
C/O-- গোবিন্দ মুখার্জী
গ্ৰাম : নবজীবন পল্লী
পোস্ট+থানা -- গোবরডাঙা
জেলা -- উত্তর ২৪ পরগণা
পিন-- 743252
মোবাইল+হোয়াটসঅ্যাপ : 9614555989

